লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ইউএনও’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

দেশ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় নিন্দনীয় পেশা ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ ও ভিক্ষুক মুক্ত করার এক প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রানী রায়।

ভিক্ষুকের সংখ্যা জানাতে ১০টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সাথে স্থানীয় ভিক্ষুকদের নিয়ে শনিবার ১৫ জুলাই ও রবিবার ১৬ জুলাই এই দু'দিন উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা করে তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রানী রায় জানান, পর্যায়ক্রমে পৌরশহর'সহ ১০টি ইউনিয়নে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিতদের আর্থিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যই হচ্ছে এ উদ্যোগ।

তিনি বলেন, ৪নং সোনাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ভিক্ষুক তালিকাভুক্ত ও তালিকা বহির্ভূতদের সরোজমিনে যাচাই করা হয়। সাথে ছিলেন উপজেলার ৪নং সোনাপুর ইউনিয়নের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমন্বয়কারী।

তিনি আরো বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি অসম্মানজনক একটি পেশা। তারা পরিবার, সমাজ ও দেশের সম্মান নষ্ট করছে। এর অবসান হওয়া উচিত। ডিসি স্যারের নির্দেশে এ লক্ষ্যে রায়পুরে ভিক্ষুকমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন ও ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করার উপর গুরুত্বারোপ করেছে। সরকার অগ্রাধিকারভিত্তিতে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করার নির্দেশ রয়েছে।

সোনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এড. ইউসুফ জালাল কিছমত'সহ আরও ৫-৬ জন চেয়ারম্যান সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। ভিক্ষুকদের মধ্যে যারা যে যে কাজের উপযুক্ত তাদের সেই কাজের ব্যবস্থা করতে পারলে ভালো হবে। এ ছাড়া যে সব মানসিক প্রতিবন্ধী রাস্তায় ঘোরাঘুরি করে, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে আরো ভালো হবে।

 

দ্য ভয়েস অফ বাংলা/এএইচএ